সোমবার সকালে চট্টগ্রামের বোট ক্লাব থেকে নৌবাহিনীর পাঁচটি জাহাজে করে দুই হাজার ১০ জন রোহিঙ্গা ভাসানচর রওনা হয় বলে জানান নৌবাহিনীর রিয়ার অ্যাডমিরাল মোজাম্মেল হক। তিনি বলেন, “দুপুর নাগাদ তাদের ভাসানচরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।” কক্সবাজার থেকে এসব রোহিঙ্গাদের বাসে করে এনে রোববার চট্টগ্রামে রাখা হয়েছিল। ভাসানচরে স্থানান্তরের জন্য সোমবার আরও দেড় হাজারের মতো রোহিঙ্গা কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম আসছে বলে জানান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোজাম্মেল। পঞ্চম দলটি মঙ্গলবার ভাসানচর রওনা হবে। এ পর্যন্ত ৭ হাজার আটজন রোহিঙ্গাকে কক্সবাজার থেকে ভাসানচরে স্থানান্তর করা হল। কক্সবাজারের শরণার্থী শিবির ও তার বাইরে অবস্থান নিয়ে থাকা মিয়ানমারের নাগরিকদের প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে নিয়ে নানা সামাজিক সমস্যা সৃষ্টির প্রেক্ষাপটে দুই বছর আগে তাদের একটি অংশকে হাতিয়ার কাছে মেঘনা মোহনার দ্বীপ ভাসান চরে স্থানান্তরের পরিকল্পনা নেয় সরকার। সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে ২৩১২ কোটি টাকা ব্যয়ে মোটামুটি ১৩ হাজার একর আয়তনের ওই চরে ১২০টি গুচ্ছগ্রামের অবকাঠামো তৈরি করে এক লাখের বেশি মানুষের বসবাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। গত ৪ ডিসেম্বর প্রথম দফায় এক হাজার ৬৪২ জন, দ্বিতীয় দফায় ২৮ ডিসেম্বর এক হাজার ৮০৫ জন এবং তৃতীয় দফায় গত ২৯ ও ৩০ জানুয়ারি তিন হাজার ২০০ জনের বেশি রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে নেওয়া হয়েছিল।